বাংলাদেশ থেকে ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি ভুয়া
লাইক করা হচ্ছে। সম্প্রতি ‘গার্ডিয়ান’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা
হয়েছে, বাংলাদেশের স্বল্প আয়ের কর্মী ও ফ্রিল্যান্সাররা একেবারে কম খরচে
ভুয়া লাইক বাড়ানোর কাজ করছেন।
বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে ভুয়া লাইক জোগানদাতা ‘ক্লিক ফার্ম’। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলো ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে কোনো ব্র্যান্ডকে জনপ্রিয় করার কাজ নিচ্ছে একেবারে স্বল্প মূল্যে।
‘গার্ডিয়ান’-এর অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভুয়া এসব ফেসবুক লাইকের কারণে ভোক্তারা কোনো ব্র্যান্ড সম্পর্কে ভুল ধারণা পান।
‘গার্ডিয়ান’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভুয়া লাইক বাড়ানোর কাজ করছেন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাকেন্দ্রিক গড়ে ওঠা ক্লিক ফার্মের বেশ কয়েকজন কর্মী। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি এক হাজার লাইক জোগান দিতে মাত্র ১৫ মার্কিন ডলার দাবি করা হয়। অথচ, এসব ক্লিক ফার্মে যেসব সাধারণ কর্মী কাজ করছেন, তাঁদের আয় খুবই কম। লাইক বাড়ানোর কাজ যাঁরা করেন, তাঁরা ছোট একটি ঘরের ছোট একটি মনিটরের সামনে বসে দিন-রাত কাজ করেন। মাত্র এক ডলার আয়ের জন্য অমানুষিক পরিশ্রম করেন তাঁরা।
যুক্তরাজ্যের চ্যানেল ফোরের ডিসপ্যাচেস অনুষ্ঠানে ভুয়া ফেসবুকে লাইকের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের ভুয়া লাইকের কারণে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে ফেসবুক ও গুগলের বিজ্ঞাপন ব্যবসা। কারণ, একেবারেই কম খরচে অপরিচিত ব্র্যান্ডকে বিশাল লাইক এনে দিতে কাজ করছেন স্বল্প আয়ের কর্মীরা।
কম্পিউটার নিরাপত্তাপ্রতিষ্ঠান সফোসের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ গ্রাহাম ক্লুলেই জানিয়েছেন, অনেক প্রতিষ্ঠানের সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাওয়ার আগ্রহ থাকে। এর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়ে ও ক্রেতা জুটে যায়। সামাজিক যোগাযোগনির্ভর অনেক প্রতিষ্ঠান এখন ভুয়া লাইকের কারণে প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে। জনপ্রিয়তার দিক থেকে পণ্যের মান ভালো হলেও সামাজিক যোগাযোগের লাইকের দিক থেকে পিছিয়ে পড়ছে।
বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে ভুয়া লাইক জোগানদাতা ‘ক্লিক ফার্ম’। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলো ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে কোনো ব্র্যান্ডকে জনপ্রিয় করার কাজ নিচ্ছে একেবারে স্বল্প মূল্যে।
‘গার্ডিয়ান’-এর অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভুয়া এসব ফেসবুক লাইকের কারণে ভোক্তারা কোনো ব্র্যান্ড সম্পর্কে ভুল ধারণা পান।
‘গার্ডিয়ান’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভুয়া লাইক বাড়ানোর কাজ করছেন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাকেন্দ্রিক গড়ে ওঠা ক্লিক ফার্মের বেশ কয়েকজন কর্মী। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি এক হাজার লাইক জোগান দিতে মাত্র ১৫ মার্কিন ডলার দাবি করা হয়। অথচ, এসব ক্লিক ফার্মে যেসব সাধারণ কর্মী কাজ করছেন, তাঁদের আয় খুবই কম। লাইক বাড়ানোর কাজ যাঁরা করেন, তাঁরা ছোট একটি ঘরের ছোট একটি মনিটরের সামনে বসে দিন-রাত কাজ করেন। মাত্র এক ডলার আয়ের জন্য অমানুষিক পরিশ্রম করেন তাঁরা।
যুক্তরাজ্যের চ্যানেল ফোরের ডিসপ্যাচেস অনুষ্ঠানে ভুয়া ফেসবুকে লাইকের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের ভুয়া লাইকের কারণে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে ফেসবুক ও গুগলের বিজ্ঞাপন ব্যবসা। কারণ, একেবারেই কম খরচে অপরিচিত ব্র্যান্ডকে বিশাল লাইক এনে দিতে কাজ করছেন স্বল্প আয়ের কর্মীরা।
কম্পিউটার নিরাপত্তাপ্রতিষ্ঠান সফোসের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ গ্রাহাম ক্লুলেই জানিয়েছেন, অনেক প্রতিষ্ঠানের সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাওয়ার আগ্রহ থাকে। এর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়ে ও ক্রেতা জুটে যায়। সামাজিক যোগাযোগনির্ভর অনেক প্রতিষ্ঠান এখন ভুয়া লাইকের কারণে প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে। জনপ্রিয়তার দিক থেকে পণ্যের মান ভালো হলেও সামাজিক যোগাযোগের লাইকের দিক থেকে পিছিয়ে পড়ছে।

No comments:
Post a Comment